দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ বাড়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কেজিতে ২-৩ টাকা কমেছে। এছাড়া বাজারে ক্রেতা সংকটও কিছুটা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গতকাল হিলি স্থলবন্দর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে দেশের বাজারে চাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। সেই সঙ্গে ইমপোর্ট পারমিট (আইপি) দিলে গত ১১ নভেম্বর থেকে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। শুরুতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২০-২৫ ট্রাক চাল আমদানি হলেও বর্তমানে তা ৫০-৬০টিতে দাঁড়িয়েছে। কখনো এ বন্দর দিয়ে ১০০ ট্রাক চালও আমদানি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, ডলারের বিনিময় হারও কিছুটা কমায় চালের দামে প্রভাব ফেলেছে।
বর্তমানে বন্দর দিয়ে স্বর্ণা-৫, শম্পা কাটারি, রত্না ও আতব চাল আমদানি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও স্বর্ণা-৫ জাতের চালের দাম ছিল কেজিতে ৫৩ টাকা। বর্তমানে তা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫১ টাকায়। এছাড়া শম্পা কাটারি জাতের চাল কেজিতে ৩ টাকা কমে ৬৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে, আগে যা ছিল ৭০-৭১ টাকা।
রত্না জাতের চালের দাম আগে ছিল ৫৯-৬০ টাকা। বর্তমানে তা ২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫৭ টাকায়। আতব চালের দাম ২ টাকা কমে কেজিতে ৬০ টাকায় নেমে এসেছে।
মেহেদি হাসান নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমি বগুড়া থেকে চাল কিনতে এসেছি। বর্তমানে প্রতি ট্রাক চাল ৬০-৭০ হাজার টাকা কমে ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে।’
হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বর্তমানে মোকামগুলোয় চালের ক্রেতা সংকট তৈরি হয়েছে। এছাড়া আমদানীকৃত চালগুলো মজুদ করলে এর রঙ নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে দ্রুত বিক্রি বাড়িয়েছেন আমদানিকারকরা।
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম বলেন, ‘চাল দ্রুত পরীক্ষণ শুল্কায়ন করে খালাস দেয়া হচ্ছে। বন্দর দিয়ে গত ১১ নভেম্বর থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত থেকে ২ হাজার ৪৮৪টি ট্রাকে ১ লাখ ১ হাজার ২৫০ টন চাল আমদানি করা হয়েছে।’